রাজনৈতিক প্রবন্ধ

আমার নাম সঞ্জয় রায়। আমি কোলকাতা-কেন্দ্রিক একজন মাইক্রোসফট সার্টিফায়েড তথ্য প্রযুক্তিবিদ এবং একজন উদ্যোক্তা । আমি স্বাস্থ্য তথ্যবিজ্ঞানে একজন বিশেষজ্ঞ । আমি গত ২০ বছর ধরে তথ্য প্রযুক্তিতে কাজ করছি । বিশেষত হেলথ কেয়ার এবং শিক্ষা ডোমেইনে । আমার আগ্রহের বিষয় হল প্রযুক্তি, ভ্রমণ, ইতিহাস, পুরাণ, রাজনীতি, সামাজিক ব্যবস্থা, শিক্ষা, পল্লী উন্নয়ন ইত্যাদি।

আমি রাজনীতিতে আগ্রহী। আমার ব্লগের এই অংশে আমি রাজনীতি নিয়ে আলোচনার চেষ্টা করেছি। আমি সব মতকেই সন্মান করি এবং কোনও অন্ধ বিশ্বাসকে সমর্থন করি না।

বিস্তারিত »

ভারতের নির্বাচনী আইন

ভারত একটি সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র।

ভারত ব্রিটিশ ওয়েস্টমিনস্টার সিস্টেম এর সংসদীয় সরকার পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। এতে রাষ্ট্রপতি, উপ-রাষ্ট্রপতি, সাংসদ এবং প্রতিটি রাজ্যের বিধায়ক - সবাই ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। সমস্ত পৌরসভা, পঞ্চায়েত এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থাগুলিতেও ভোটের মাধ্যমে সদস্য নির্বাচিত হন।

ভারতীয় সংবিধানের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন নামে স্বাধীন একটি সংস্থা গঠন করেছে। যার মূল কাজ হচ্ছে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি এবং সংসদ ও রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত কাজ পরিচালনা করা (আর্টিকেল 324)।

পৌরসভা, পঞ্চায়েত এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনের জন্য একটি অনুরূপ স্বাধীন সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ তৈরি করা হয়েছে (আর্টিকেল 243 K, এবং 243 ZA)।

রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতি এবং সংসদ ও রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের ক্ষমতা একমাত্র ভারতীয় সংসদকে দেওয়া হয়েছে (আর্টিকেল 71 এবং 327)।

পৌরসভা, পঞ্চায়েত এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থাগুলির নির্বাচন পরিচালনা সম্পর্কিত আইনগুলি সংশ্লিষ্ট রাজ্য বিধানসভা কর্তৃক প্রণীত হয় (আর্টিকেল 243 K, এবং 243 ZA)।

রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতির নির্বাচন সম্পর্কিত সকল বিরোধ সুপ্রিম কোর্টে মেটাতে হয় (ধারা 71)। সংসদ ও রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন সম্পর্কিত সকল বিরোধ প্রাথমিকভাবে রাজ্য হাইকোর্টে মেটাতে হয় এবং প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা যায় (আর্টিকেল 329)।

পৌরসভা নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধ নিম্ন আদালতের দ্বারা সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আইন অনুসারে নির্ধারণ করা হয়।

রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত আইন রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন 1952 আকারে সংসদ কর্তৃক প্রণীত হয়েছে। এই আইনটি রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের রুলস 1974 দ্বারা পরিবর্ধন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশাবলীর মাধ্যমে এটি আরো পরিবর্ধন করা হয়েছে।

সংসদ এবং রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন - জনগণের আইন 1950 এবং জনগণের প্রতিনিধিত্ব আইন 1951 এর বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

নির্বাচন পরবর্তী সমস্ত বিরোধ জনগণের প্রতিনিধিত্ব আইন 1951 এর বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এই আইনের অধীনে, সব ধরনের বিরোধের জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্য হাইকোর্ট যাওয়া যায়, তবে সেটা শুধু নির্বাচনের পরে, নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালিন সময়ে মামলা করা যায় না।

সংসদ ও রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন সম্পর্কিত সকল বিষয়ের সম্পূর্ণ কোড পিপলস এ্যাক্ট 1950 এবং 1951 এবং রেজিস্ট্রেশান অব ইলেক্টরস রুলস 1960 এবং কনডাক্ট অব ইলেকশান রুলস 1961 এর মধ্যে লিপিবদ্ধ করা আছে। নির্বাচন কমিশনের কোনও সিদ্ধান্তে কোনও ব্যক্তি অখুশি হলে এই আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রতিকার গ্রহণ করতে পারেন।


সর্বশেষ পোস্ট

ভারতের নির্বাচনী আইন

সংসদ ও রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন সম্পর্কিত সকল বিষয়ের সম্পূর্ণ কোড পিপলস এ্যাক্ট 1950 এবং 1951 এবং রেজিস্ট্রেশান অব ইলেক্টরস রুলস 1960 এবং কনডাক্ট অব ইলেকশান রুলস 1961 এর মধ্যে লিপিবদ্ধ করা আছে। নির্বাচন কমিশনের কোনও সিদ্ধান্তে কোনও ব্যক্তি অখুশি হলে এই আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রতিকার গ্রহণ করতে পারেন।


আর্কাইভ পোস্ট



2017


যোগাযোগ করুন


বিনামূল্যে সহায়তা

আপনি যেকোনো অ-বাণিজ্যিক প্রযুক্তিগত সহায়তা / সমস্যা / ধারণার জন্য আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। অাপনার সমস্যার সমাধান সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করে দিতে পারলে আমি খুব খুশি হবো। তবে যেহেতু আমাকে বেঁচে থাকার জন্য অন্যান্য কাজ করতে হয়, আপনাকে উত্তর দিতে কয়েকদিন সময় লাগতে পারে!

ব্যবসায়িক কনসালটেনশন

আমি পেশাদারী পরামর্শ দিয়ে থাকি। আপনি যেকোনো ধরনের অংশীদারিত্বের সম্ভাবনার জন্য আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

ঠিকানা

কলকাতা, ভারত

ফোন নম্বর

+91-9830446591

ইমেইল

info@sanjoyroy.com

আপনার বার্তাটি পাঠানো হয়েছে। ধন্যবাদ!